অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ইন্টারনেট মোডেম হিসেবে ব্যবহার পদ্ধতি


 কিভাবে খুব সহজেই আপনার স্মার্টফোন কে মোডেমে রূপান্তর করবেন, তার স্টেপ বাই স্টেপ পদক্ষেপ।

  • প্রথমে আপনার স্মার্টফোনের ডাটা কানেকশন অন করুন।
  • এবার আপনার স্মার্টফোন টি ডাটা ক্যাবলের মাধ্যমে পিসির সাথে কানেক্ট করুন।
  • ইউএসবি ক্যাবল স্টোরেজ অপশনে ক্লিক করা থেকে বিরত থকুন।
  • এবার সরাসরি সেটিং অপশনে চলে যান।
  • মোর ওয়্যারলেস থেকে Tethering & portable Hotspot
  • এবার USB tethering বক্সে ক্লিক করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।

ব্যাস হয়ে গেছে এবার দেখুন আপনার পিসি নেট কানেকশন পেয়ে গেছে। দেখেছেন কতোই না সহজ সুধু ট্রাই করতে হবে। কাজটি করতে যদি কোন সমস্যা বা মতামত থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট শেয়ার করবেন।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি ঠিক রাখার উপায়

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের একটি কমন সমস্যা হচ্ছে এটি সময়ের সাথে সাথে কিছুটা ধীর গতির হয়ে যায়। তাই আজকে আমি কিছু টিপস শেয়ার করব যার সাহায্যে সম্পুর্ন না হলেও আপনার স্মার্টফোনটিকে অনেকাংশেই স্মুথ করে তোলা সম্ভব হবে।

১। আপনার স্মার্ট ফোনটির ফার্মওয়্যার আপডেট করুনঃ

আপডেটেড ফার্মওয়্যার অনেক ক্ষেত্রেই কিছু ল্যাগের সমস্যা দূর করে থাকে। ‘আপডেট’ এর অর্থই হচ্ছে আগের তুলনায় নতুন কিছু সুবিধা যোগ করা। আর, ফার্মওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে স্মার্টফোন ছাড়াও প্রতিটি ডিভাইসেরই কম-বেশি ক্যাপাবিলিটি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। অনেক সময় হয়ত সেই পরিবর্তন আপনার চোখে পরবে না তবে এমন অনেক ত্রুটি মুক্ত করার জন্য স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার আপডেট করা জরুরী।

২। আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ‘রিসেট’ করুনঃ

আমরা সবাই জানি যে ‘রিসেট’ করার অর্থ হচ্ছে ‘পুনঃস্থাপন করা’ বা ‘নতুন করে করা’, আর স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও ‘রিসেট’ অপশনটি ঠিক এর অর্থের মতই কাজ করে। আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে যে আপনি যখন আপনার স্মার্টফোনটি কিনে এনেছিলেন তখন আপনার স্মার্টফোনটির অপারেটিং ছিল ভীষন স্মুথ? কিন্তু, সময়ের সাথে আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির মধ্যে নানা রকম ফাইল জমা পরার কারনে সেই স্মার্টফোনটি হয়ে গিয়েছে ল্যাগি। এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার স্মার্ট ফোনটি ‘ফ্যাক্টোরি রিসেট’ করেন তবে স্মার্ট ফোনটি থেকে সব ফাইল মুছে গিয়ে ঠিক সেই প্রথম কিনে আনার দিনের মত স্মুথ হয়ে যাবে। সব ফাইল বলতে আমি আপনার ব্যবহারের জন্য যে ফাইল গুলো জমা হয়েছিল সেগুলোই বুঝাচ্ছি। কিন্তু এতে করে যেহেতু সিস্টেম ফাইল মুছে যাচ্ছেনা তাই আপনি রিসেট করার পর পাবেন একদম স্মুথ একটি স্মার্টফোন।

সতর্কতাঃ ‘ফ্যাক্টোরি রিসেটের’ ফলে আপনার স্মার্ট ফোনের ইন্টারন্নাল স্টোরেজে থাকা প্রয়োজনীয় কন্টাক্ট, ক্ষুদে বার্দা, ক্যালেন্ডার এনট্রি, মেমো এবং আপনি যে অ্যাপলিকেশন গুলো ব্যবহার করতেন – এগুলো সব মুছে যাবে। তাই, রিসেট করার পূর্বে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব তথ্য গুলো ব্যাক-আপ নিয়ে রাখুন। যদিও, গুগলের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের ফলে কন্টাক্ট এবং ক্যালেন্ডার এন্ট্রি সহ কিছু ক্ষেত্রে ক্ষুদে বার্তাও সিনক্রোনাইজড হয়ে থাকে।

৩। মাঝে মাঝেই আপনার ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ চেক করুনঃ

স্মার্ট ফোনের মেমরীর পরিমান কমে গেলে স্মার্ট ফোনে আপনি ল্যাগ অনুভব করতে পারেন। এজন্য, আপনি মাঝে মাঝে আপনার ইন্টারনাল ফাইলে জমে থাকা গেমস, অ্যাপলিকেশন, মিডিয়া ফাইল যেমন, গান, ভিডিও ইত্যাদি এক্সটার্নাল স্টোরেজ তথা মেমরী কার্ডে চালান (ট্রান্সফার) করে দিন। তবে, বেশির ভাগ লো-এন্ড স্মার্টফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজের পরিমাণ কম হয়ে থাকে বিধায় এই টিপসটি সেই সব স্মার্ট ফোনে কাজ নাও করতে পারে।

৪। প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেনঃ 

আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে টাস্ক কিলারের মত কিছু প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন।
  • পুরোনো স্মার্ট ফোন গুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন ‘auto task killer’ অ্যাপলিকেশনটি। এটি আপনার নির্ধারিত ‘n’ সময় অন্তর অন্তর আপনার নির্ধারিত কিছু অ্যাপলিকেশনের প্রোসেস কিল করে স্মার্ট ফোনের র্যাম ফ্রি করতে সাহায্য করবে এবং স্বাভাবিক ভাবেই, বেশি র্যাম ফ্রি থাকার অর্থ হচ্ছে স্মার্ট ফোন দ্রুত অপারেট হবে।
  • ভালো মানের একটি এন্টিভাইরাস অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করতে পারেন। কম্পিউটারের মত স্মার্টফোনও নানা রকম ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং একটি ভালো এন্টিভাইরাস এই সকল ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যারকে সনাক্ত করন এবং পরে মুছে ফেলে আপনার স্মার্টফোনটিকে কিছুটা হলেও গতিশীল করবে।
  • ব্যবহার করতে পারেন ‘start up manager’ এর মত কিছু অ্যাপলিকেশন। এই অ্যাপলিকেশনের ফলে আপনি আপনার ফোন বুট বা রিস্টার্ট হবার সময় নির্ধারন করে দিতে পারবেন যে ঠিক কোন অ্যাপলিকেশন গুলো সক্রিয় হবে আর কোন গুল নিষ্ক্রিয় থাকবে।
  • ‘Juice defender’ টাইপের অ্যাপলিকেশনগুলো অনান্য অ্যাপলিকেশন গুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ডে অটোমেটিক স্টার্ট হতে না দিয়ে আপনার ফোনের এবং আপনার ফোনের ব্যাটারীকে সাপোর্ট দিয়ে যাবে।
  • ‘cache cleaner’ অ্যাপলিকেশনগুলো মোবাইলের মেমরীতে জমে থাকা বিভিন্ন রকম কেচ ফাইল মুছে দিয়ে স্মার্টফোনকে স্মুথ করবে।
  • ‘Apps to SD card’ অ্যাপলিকেশনটি একটি প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন। এর সাহায্যে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে ইন্সটলড থাকা অ্যাপলিকেশনগুলো আপনার ফোনের এক্সটার্নাল মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন এবং এতে করে ইন্টার্নাল স্টোরেজ ফ্রী হবে, বিধায় কিছুটা হলেও স্মার্ট ফোন দ্রুত কাজ করবে। তবে মনে রাখবেন, এই অ্যাপলিকেশনটির সাহায্যে সকল প্রকার অ্যাপলিকেশনই মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করা সম্ভব হবেনা, কিছু কিছু অ্যাপলিকেশন ট্র্যান্সফার করার জন্য আপনার ফোনটিকে ‘রুট’ করে নিতে হবে।
  • ’Spare parts’ জাতীয় অ্যাপলিকেশনগুলো কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের কনফিগারেশন প্যানেলে আপনাকে এক্সেস করতে দিবে, যেমন ধরুন- ট্র্যানজিশান অ্যানিমেশন কনট্রোল। ৫। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন গুলো মুছে ফেলুনঃ আমরা বিভিন্ন সময়ে প্লে স্টোরে ঘুরতে ঘুরতে দেখা যায় অনেক রকম অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করি কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই অ্যাপলিকেশন গুলো খুব একটা ব্যবহার করিনা। এরকম অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন মুছে ফেলা উচিৎ। এতে করে স্মার্টফোনের র্যাম ফ্রি থাকবে এবং ফলাফল স্বরূপ আপনার স্মার্ট ফোনটি আগের তুলনায় কিছুটা হলেও ল্যাগ ফ্রি হবে।

৬। স্মার্ট ফোনটি রিস্টার্ট করুনঃ 

কম্পিউটারে কোন সমস্যায় পরলে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিয়ে থাকি, তাতে করে কম্পিউটারের সমস্যা কিছু ক্ষেত্রে দূর হয়ে যায়। স্মার্ট ফোনের ব্যপারটি একই। যদিও, এই ট্রিকসটি একটি টেম্পোরারী অপশন, তবুও এটা কাজ করে।

৭। আপনার স্মার্ট ফোনটি রুট করুনঃ 

স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করার ফলে আপনি কিছু অ্যাডিশনাল সুবিধা পাবেন এবং সেই সুবিধা গুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনটি আরও ভালো ভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। যদিও এক্ষেত্রে রুটিং প্রোসেসটি এক প্রকারের রিস্কি সমাধানের পর্যায় পরে তবে এখন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইট এবং ফোরামের কল্যাণে স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করা এখন বলা চলে অনেক সহজ এবং ঝুঁকির পরিমানও ঠিক আগের মত নেই। ঝুঁকির কথা বললাম কেননা, আপনি যদি রুট করার সময় সফল না হন তবে আপনার স্মার্ট ফোনটি ব্রিক অবস্থায় চলে যেতে পারে। আবার, আপনি সফল ভাবে রুটিং প্রোসেস সম্পন্ন করলেও আপনার স্মার্ট ফোনের সাথে দেয়া ‘ওয়ারেন্টির’ অফারটা শেষ হয়ে যাবে যদিও এখন আপনি চাইলেই আপনার রুটেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি আন-রুট করতে পারবেন এবং ওয়ারেন্টি ফিরে পাবেন। এখন বলি যে, একটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্ট ফোন স্পিড আপ এর সাথে এই রুটিং এর কী সম্পর্ক।
  • ওভার ক্লকঃ আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসের প্রসেসরটি ওভারক্লক করতে পারবেন এবং একটি ওভার ক্লকড প্রসেসর স্বাভাবিক ভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় থাকা প্রসেসরের তুলনায় বেশি পরিমান কাজ করতে সক্ষম হবে। তাই, প্রসেসর ওভার ক্লক করার মাধ্যমে আপনি এভাবেই আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন।
  • কাস্টম রমের ব্যবহারঃ আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসটিতে কাস্টম রম ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। যদিও, কাস্টম রম ব্যবহার কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের পর্যায়ে পরে এবং ঝুঁকি পূর্ন তবুও কাস্টম রম ব্যবহার করে স্মার্ট ফোনের গতি বৃদ্ধি করা যায় খুব সহজেই। কেননা, কাস্টম রমে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন থাকে না বললেই চলে এবং এর ফলে কোন অ্যাপলিকেশন অহেতুক স্মার্ট ফোনের র্যামের রিসোর্স ব্যবহার করেনা এবং এছাড়াও কাস্টম রম ব্যবহারের ফলে স্মার্ট ফোনের কিছু বাগ ফিক্স হয়ে যায়। তবে ঝুঁকির কথা বললাম এজন্যেই যে মাঝে মাঝে কাস্টম রম গুলো স্ট্যাবল হয় না এবং এর ফলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।
  • অপ্রোয়োজনীয় সিস্টেম অ্যাপ মুছে ফেলতে পারবেনঃ প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনের স্টক রমে দেখা যায় নানা রকম অ্যাপলিকেশন প্রি-ইন্সটলড করা থাকে যা অনেকেই ব্যবহার করেন না। ‘রুট’ করার ফলে আপনি যেহেতু আপনার ডিভাইসের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ক্ষমতা হাতে পাচ্ছেন সে কারনে আপনি চাইলে সিস্টেমে ইন্সটল্ড থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো মুছে ফেলতে পারবেন ফলে আপনার স্মার্ট ফোনটি কিছুটা হলেও হবে স্মুথ এবং দ্রুত গতির। সতর্কতাঃ সিস্টেম অ্যাপ মুছে ফেলার ক্ষেত্রে অবশ্যই অ্যাপ গুলোর ব্যাক-আপ নিয়ে রাখবেন। এক্ষেত্রে চমৎকার একটি অ্যাপলিকেশন হচ্ছে ‘Titanium Backup’ অ্যাপটি। কিছু কথা মনে রাখবেনঃ ** রুটিং এবং কাস্টম রম ইন্সটল করা অ্যাডভান্স লেভেলের সমাধান। এজন্যে, অন্য পদ্ধতি গুলো প্রথমে চেষ্টা করে দেখবেন। যদি অন্য পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করেই আপনার সমস্যা দূর হয়ে যায় তবে আপনাকে আর কোন ঝুঁকি পূর্ন প্রসেসর মধ্যে দিয়ে যেতে হবে না। ** আপনি যদি সফল ভাবে রুটিং প্রসেস সম্পন্ন করতে পারেন তবে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনের অ্যাপ ড্রয়ারে SU (Super User) নামের একটি অ্যাপলিকেশন দেখতে পাবেন। আর মেন্যুতে SU নামের কোন অ্যাপলিকেশন যদি দেখতে নাই পান তবে বুঝে নিতে হবে যে আপনার রুটিং প্রসেসটি সফল ভাবে সম্পন্ন হয়নি।

কিভাবে বুঝবেন আপনার এন্ড্রয়েট ডিভাইসটি আসলে গুগল কর্তৃক অনুমোদিত কিনা?

অনেকেই আছেন যারা কোম্পানির নাম বা বৈধতা যাচাই না করেই সেট কিনেন এক্ষেত্রে আপনি হয়ত এমন কোন সেট নিচ্ছেন যা গুগল কর্তৃকঅনুমোদিত নয়। কিভাবে বুঝবেন আপনার ডিভাইসটি আসলে গুগল কর্তৃক অনুমোদিত কিনা?


প্রথমে Setting এ যান। সেখানে দেখতে পাবেন About phone লেখা আছে। এখানে ক্লিক করলে নতুন একটি পেইজ আসবে, এখানে দেখবেন Android version নামের একটি অপশন।
এবার আপনি Android version এর উপর পরপর ৩ বার টাচ করুন। এরপর একটি লোগো আসবে, ওই লোগোতে একবার টাচ করুন। যদি আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইস আসল হয় তাহলে লোগো টি হাসি দিবে এবং আপনার ডিভাইসের এন্ড্রয়েড ভার্সন আপনাকে জানাবে।

অ্যান্ড্রয়েড এ SHAREit ব্যবহার পদ্ধতি

বর্তমানে শেয়ার ইট (SHAREit) একটি জনপ্রিয় অ্যাপস। প্রায় প্রত্যেকটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে শেয়ার ইট ব্যবহার করা হয়। আজ থেকে কয়েক বছর আগে এক মোবাইল থেকে অন্য মোবাইলে ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্লুটুথ (Bluetooth) ব্যবহার করা হত। বর্তমানে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তারা আর ব্লুটুথ (Bluetooth) ব্যবহার করেন না বললেই চলে। SHAREit থাকতে কেনই বা ব্যবহার করবেন অন্যকিছু । কারন শেয়ার ইট (SHAREit) ব্লুটুথ (Bluetooth) থেকে তিনগুন স্পিডে ফাইল ট্রান্সফার করতে সক্ষম। স্পিড বেশী হওয়ার কারন হল SHAREit ওয়াইফই(Wi-Fi) এর মাধ্যমে কাজ  করে। আর আপনারা সবাই ওয়াইফই সম্পর্কে অবগত আছেন।
 

শেয়ার ইট (SHAREit) পরিচালনা পদ্ধতিঃ

  • প্রথমে আপনার মোবাইল এর google play store যান। Google play store এর মধ্যে গেলে দেখবেন Existing বা New অপশন আসবে। আপনি new এর মধ্যে ক্লিক করুণ। ক্লিক করার পর আপনার জিমেইল (Gmail) আইডি দিয়ে লগইন করুন। Gmail (জিমেইল) অ্যাকাউন্ট না থাকলে আপনি খুব দ্রুত একটি Gmail(জিমেইল) অ্যাকাউন্ট খুলে নিন।
  • আপনি দেখতে পাবেন Google play store এর মধ্যে ডান দিকে সার্চ অপশন আছে সেখানে গিয়ে লিখুন SHAREit । আপনি দেখবেন প্রথমে SHAREit অ্যাপস শো করছে। আপনার কাজ হচ্ছে এর মধ্যে ক্লিক করা।
  • আপনি যখন শেয়ার ইট (SHAREit) এর মধ্যে ক্লিক করবেন তখন accept & download অপশন আসবে। Accept & download এর মধ্যে ক্লিক করুন। দেখবেন ইন্সটল হচ্ছে । আপনি এখন আপনার মোবাইল এর মধ্যে SHAREit অ্যাপসটা দেখতে পাবেন।

কিভাবে কাজ করবেনঃ

এমনটা মনে করুন যে, আপনার কোন বন্ধুর মোবাইলে সুন্দর অনেকগুলো গেম আছে। এখন আপনি আপনার বন্ধুর সব অ্যাপসগুলো নিজের মোবাইল ফোনে নিবেন। তাহলে আপনার কাজ হচ্ছে আপনার এবং আপনার বন্ধুর SHAREit অন করা। যেহেতু আপনি আপনার বন্ধুর মোবাইল থেকে ফাইল বা গেমস আনবেন সেহেতু আপনার বন্ধু আপনাকে তার মোবাইল থেকে গেমসগলেো সিলেক্ট করে আপনাকে সেন্ড করবে। আপনার কাজ হচ্ছে Receive এর মধ্যে ক্লিক করা। দেখবেন চোখের পলকে আপনার সব পছন্দের অ্যাপস আপনার মোবাইল এর মধ্যে এসে গিয়েছে।

যেকোন ফাইল শেয়ার করার জন্য SHAREit এর মধ্যে ২টি অপশন আছে। Receive and Send। আর আপনি যখন কাউকে ফাইল পাঠাবেন তখন সেন্ড (Send) মধ্যে ক্লিক করুন । ভিতরে আপনার মোবাইল এর সব ফাইল শো করবে। যেমন- audio song, video song, apps ইত্যাদি। এখন আপনি যা পাঠাতেন চান তা সিলেক্ট করে next দিলে আপনার বন্ধু Receive করলে আপনার দেয়া সব ফাইল সে পেয়ে যাবে।

SHAREit এর মাধ্যমে মোবাইলে অ্যাপস গুলো ব্যবহার করতে আপনাকে যা করতে হবে তা হল –

SHAREit এর মধ্যে উপরের ডান দিকে History অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুণ। দেখবেন আপনি এ পর্যন্ত যতগুলো ফাইলে এনেছেন সবগুলো সেখানে শো করছে। আপনার এখন কাজ হচ্ছে আপনি যদি কোন অ্যাপস এনে থাকেন তাহলে ঐ অ্যাপস এর মধ্যে ক্লিক করুণ। দেখবেন install চাচ্ছে। আপনার কাজ হচ্ছে install এর মধ্যে ক্লিক করা। তারপর yes yes দিয়ে দিবেন দেখবেন কাজ হয়ে গেছে।

এভাবে আপনি SHAREit পরিচালনা করতে পারেন। কিন্তু আপনি যখন সফটওয়্যারগুলো ইন্সটল করতে গেলেন তখন দেখলেন যে ইন্সটল হচ্ছে না। তখন আপনার কাজ হচ্ছে settings এর মধ্যে security অপশন আছে সেখানে unknown source একটি লিখা পাবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ঐ unknown source এর মধ্যে টিক দিয়ে রাখা। তখন আপনি যেকোন অ্যাপস আপনার মোবাইল এর মধ্যে ইন্সটল দিতে পারবেন।

কিভাবে এন্ড্রয়েড ফোনের ভুলে যাওয়া প্যাটার্ন লক খুলবেন


এন্ড্রয়েড মোবাইল বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। আর এন্ড্রয়েড মোবাইলের অন্যতম একটি সিস্টেম হচ্ছে প্যাটার্ন লক। অনেক সময় আমাদের অজান্তে আমরা মোবাইলের অথবা ট্যাবের প্যাটার্ন লক ভুলে যেতে পারি বা কেউ অতিরিক্ত ভাবে ভুল প্যাটার্ন লক ট্রাই করলে লক হয়ে যেতে পারে। যাই হোক কিভাবে প্যাটার্ন লক খোলা যায় সেটি এখন আমরা দেখবো। দুটি সিস্টেমে আপনি লক খুলতে পারি।

প্রথম পদ্ধতি: 
  • প্রথমে আপনি যে কোনো একটি ভুল প্যাটার্ন আকুন। তারপর নিচের ছবির মত Forgot Pattern এ ক্লিক করুন…। 

  • Forgot Patter এ ক্লিক করার পর আপনার স্ক্রিনে নিচের মত একটি ছবি আসবে। 
 
  • ছবি আপনাকে বলা হবে আপনার ইমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিতে। আর ইমেইল আইডিটি অবশ্যই আপনি যে ইমেইল আইডি দিয়ে আপনার মোবাইল ইন্টিগ্রেটেড করছেন সেটার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিতে হবে। এটা দেয়ার পর আপনার সেই ইমেইলে নতুন প্যাটার্ন কোড পাঠিয়ে দিবে।এবং তা দিয়ে মোবাইল আনলক করতে পারবেন। 

দ্বিতীয় পদ্বতিটি : 

 এ পদ্ধতিতে আপনাকে আপনার পুরো মোবাইল ফ্ল্যাশ দিতে হবে। আর মোবাইল অথবা ট্যাবকে ফ্ল্যাশ দিলে আপনার ডাউনলোড করা আপস এবং গেমস গুলো সাথে সাথে লক প্যাটারর্ন সফটওয়্যারটিও রিমুভ হয়ে যাবে। শুধু মাত্র আপনার ডিভাইসের সাথে পাওয়া এপস এবং গেমস গুলো থাকবে।

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম পরিচিতি


অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম হল গুগলের তৈরি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এটি linux karnel অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে। এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে টাচস্ক্রীন যুক্ত স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য। এটি C (core) , C++ , Java (UI) ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তৈরি। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সর্বপ্রথম রিলিজ পায়।  অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রচলিত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। 

Android Apps বা Google Play হল android অপারেটিং সিস্টেমের অ্যাপ্লিকেশানের জন্য সর্ববৃহৎ অনলাইন ষ্টোর। বর্তমানে বেশিরভাগ মোবাইল কোম্পানি তাদের ডিভাইসের জন্য অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে।

Android অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ভার্সন রয়েছে। সেগুলো হলঃ 
  • অ্যান্ড্রয়েড আলফা (১.০) Android alpha (1.0) 
  • অ্যান্ড্রয়েডবেটা (১.১) Android beta (1.1) 
  • কাপকেক (১.৫) Cupcake (1.5) 
  • ডোজনাট (১.৬) Doughnut (1.6) 
  • ইকলেয়ার (২.০-২.১) Eclair (2.0–2.1) 
  • ফ্রয়ো (২.২-২.২.৩) Froyo (2.2–2.2.3) 
  • জিঞ্জারব্রেড (২.৩-২.৩.৭) Gingerbread (2.3–2.3.7) 
  • হানিকম্ব (৩.০-৩.২.৬) Honeycomb (3.0–3.2.6) 
  • আইসক্রিম সেন্ডউইচ (৪.০-৪.০.৪) Ice Cream Sandwich (4.0–4.0.4) 
  • জেলিবিন (৪.১-৪.৩.১) Jelly Bean (4.1–4.3.1) 
  • কিটক্যাট (৪.৪-৪.৪.৪) KitKat (4.4–4.4.4)


 

Copyright @ 2013 ফর কম্পিউটার .